1. admin@dailynewsbangladesh24.com : admin :
শিরোনাম :
আমরা নাগরিক হতে পারি নি বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩ বরিশালের নলছিটিতে সন্তানসহ টাকা ও স্বর্ন নিয়ে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী শামীম ওসমানের সমাবেশে মিছিল নিয়ে যুবলীগ নেতা মুন্নার যোগদান বাংলাদেশ কমিউনিটি ডাবলিন কমিটি গঠন সংক্রান্ত রোড ম্যাপ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ শে আগস্ট। প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে (আবাই) সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ। আয়ারল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন। ছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনী এবং এনআইডি কার্ড দূতাবাসের মাধ্যমে প্রদানের দাবি জানিয়েছে আয়েবাপিসি বাস থেকে স্বামীকে ফেলে দিয়ে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, অভিযুক্ত পাঁচজন গ্রেফতার

তরমুজে পুশ করা হচ্ছে ক্ষতিকর রং বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯২ বার পঠিত

মোঃ জিলান খান, স্টাফ রিপোর্টারঃ-

গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ। সুস্বাদু এই ফলটি গরমে মানুষের যেমন তৃষ্ণা মেটায় তেমনি আনে স্বস্তি। তরমুজ সবার কাছেই প্রিয়। শহরবাসী অথবা গ্রামের মানুষ সবাই কমবেশি পছন্দ করে তরমুজ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পানি। তরমুজে শতকরা ৬ ভাগ চিনি এবং ৯২ ভাগ পানিসহ অন্যান্য ভিটামিন জাতীয় উপকরণ রয়েছে। এর পুষ্টিগুণ যেমন তেমনি দেশি ফলের ভেতরে দামও তুলনামূলক কম থাকায় গরমে স্বস্তি পেতে মানুষ তরমুজ খায়। আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় তরমুজের চাষ হয়। বর্তমানে চলছে তরমুজের মৌসুম। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাক ভর্তি করে বিভিন্ন বাজারে প্রবেশ করছে তরমুজ। এমনিতেই গরমের ফল, রোজাদার ব্যক্তিদের ইফতারিতে তরমুজ অন্যতম একটি ফল, তার সঙ্গে যোগ হয়েছে তীব্র দাবদাহ। ফলে তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। তরমুজের নানা জাত থাকলেও, মানুষ পাকা, লাল ও মিষ্টি তরমুজ পছন্দ করে। তাই এর চাহিদাও বেশি। আর মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে অসাধু ব্যবসায়ীরা করছে নানারকম কারসাজি। খাদ্যে ভেজাল মেশানো, ক্ষতিকারক ফরমালিন দ্রব্যের সাহায্যে খাদ্যদ্রব্য পাকানো, দীর্ঘদিন খাদ্যদ্রব্যকে সংরক্ষন করতে ক্ষতিকারক ফরমালিন মেশানোর মতো জঘন্য কাজ দামি খাবারেই করা হতো এ রকম বিশ্বাস ছিল সাধারণ মানুষের। তরমুজের মতো সস্তা ফলে ক্ষতিকারক কোনো উপাদান মেশানো হয় না, এই বিশ্বাস ভাঙতে শুরু করেছে। মানুষের ভেতরের পশুবৃত্তি, আমাদের কোথায় নামিয়ে নিয়ে গেছে, তার উদাহরণ খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকারক দ্রব্য মেশানোর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট। তরমুজের মতো সহজলভ্য এবং আপাতদৃষ্টিতে বাজারের অন্য যে কোনো ফলের চেয়ে সস্তা ফলেও এখন দেদার মেশানো হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান। তরমুজকে পাকা এবং লাল দেখানোর জন্য মেশানো হচ্ছে বিপজ্জনক লাল রং ও মিষ্টি সেকারিন। ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে তরমুজ বোটা দিয়ে এসব দ্রব পুশ করে তরমুজ পাকা ও লাল বলে বিক্রি হচ্ছে। ক্ষতিকারক দ্রব্য মেশানো এ ধরনের তরমুজ খেয়ে সারাদেশে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ যেমন অসুস্থ হচ্ছে তেমনি মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটছে। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কলেরার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, দক্ষিণ অঞ্চলের একাধিক হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায় যে, হাসপাতলে কলেরা রোগের জন্য সংরক্ষিত কোন বেড না থাকায় বিপাকে পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, রোগীকে দেখা যায় বেডের নিচে বিছানা বিছিয়ে শুয়ে থাকতে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য থেকে জানা যায়, শহরের ফলের দোকান গুলোতে ভোর বেলায় পুরনো ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিজের মাধ্যমে বিষাক্ত লাল রং ও মিষ্টি সেকারিন পানি মেশানো হচ্ছে। তরমুজের বোঁটা বা নিচের অংশে কৌশলে ইনজেকশনের সুই ঢুকিয়ে কেমিক্যাল মেশানোর কাজ করানো হয়। কেমিক্যাল মেশানোর কারণে তরমুজ হয়ে ওঠে টকটকে লাল রঙের এবং স্বাদেও তা হয় মিষ্টি। আর এই তরমুজগুলোই দোকানে ছুরি দিয়ে কেটে পাকা দেখিয়ে বেশি দাম আদায় করা হয়। সেই সঙ্গে তরমুজ যেন নষ্ট না হয়, সে কারণেও মেশানো হচ্ছে কেমিক্যাল। বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো তরমুজ খেয়ে মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। সবচেয়ে বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে শিশুরা। খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকারক কীটনাশক, নিষিদ্ধ রং আর বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানোর ফলে কিডনি, লিভারের সমস্যা বাড়ছে।

তবে রোযা-কে সামনে রেখে অসাধু ব্যবসায়ীরা তরমুজের দাম দ্বিগুণ করে বিক্রি করছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, তারা বেশি দামে ক্রয় করছে বিদায় কাস্টমারের কাজে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুনজরে এনে দ্রুত সমাধানের সনির্বন্ধ আহ্বান জানান। খাদ্যে ভেজাল রুখতে আইনের কঠোর প্রয়োগ যেমন জরুরি তেমনি জরুরি জনসচেতনতা বাড়ানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © Dainik News Bangladesh 24
Theme Customized By Shakil IT Park